শিরোনাম
সংবাদদাতা, যশোর : | ০৮:৩২ পিএম, ২০২০-০৯-২০
বোনাপোল পুটখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হত্যা মামলায় এক আসামামির যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার স্পেশাল জজ মোহাম্মদ সামছুল হক এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জিয়ারুল ওরফে জিয়া বেনাপোল পোর্ট থানার মহিষাডাঙ্গা গ্রামের সুলতান মোড়লের ছেলে। একই সাথে হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয় প্রমানিত না হওয়ায় এ মামলা থেকে এজাহারভূক্ত ১৫ আসামিকে খালাস প্রদান করা হয়।
২০১৩ সালের ২৪ মার্চ সন্ধ্যায় পুটখালীর বারোপোতা গ্রামের আকবর আলীর বাড়ির সামনে সন্ত্রাসীরা গুলি করে, বোমা হামলা ও কুপিয়ে হত্যা করে চেয়ারম্যান রাজ্জাককে। শুধু হত্যা করেই ক্ষ্যান্ত দেননি দূবিত্বরা। পরে আসামিদের নামে যেন মামলা দিতে না পারে সেজন্য নানা ধরনের বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায় ২৮ মার্চ তৎকালীন যশোর জেলা পুলিশ সুপার জয়দেব ভদ্র বিষয়টি জানতে পেরে রাজ্জাকের ছেলে হাসানুজ্জামানকে তার বাড়ি থেকে বেনাপোল পোর্ট থানায় ডেকে নিয়ে আসে। পরে ১০ জনের নামসহ অজ্ঞাত চারজন উল্লেখ করে থানায় মামলা হয়। মামলার পর থেকে পুলিশ সদস্য রাজ্জাকের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তাও দেয়। মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল গফফারের সাথে আধিপত্ত নিয়ে পূর্বে দ্বন্দ্ব ছিলো।এছাড়া সিরাজুল নামের আরেকজনের সাথে পুটখালী হাট নিয়ে বিরোধ ছিলো। এছাড়া মেম্বর মোমিনুর রহামনের সাথে এলাকায় প্রভাব বিস্তারনিয়ে বিরোদের জেরে রাজ্জাককে হত্যা করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। পরে মামলাটি পর্যায়ক্রমে এসআই শরীফ, হাবিবুর রহমান ও আবুল খায়ের মোল্যা তদন্ত করে।একপয়ায় ওই বছরের ২৮ আগস্ট ১৬জনকে ্অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমাদেন। এরপর মামলার অভিযোগ গঠন করা হয়। ২৫জন সাক্ষীর মধ্যে১৩জন আদালতে জবানবন্দি দেন। রোববার মামলার রায় ঘোষনার দিনে আসামি জিয়ারুল ওরয়ে জিয়ার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হওয়ায় তাকে সাজা প্রদান করেন আদালত।একই সাথে অপর ১৫ জনের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাদেরকে খালাশ গ্রদান করেন আদালত। এসময় রাষ্টপেক্ষ স্পেশাল পিপি সাজ্জাদ মোস্তফা রাজা উপস্থিত ছিলেন।
খালাশপ্রাপ্তরা হলেন,বেনাপোল মহিষাডাঙ্গা গ্রামের হযরত মল্লিকের ছেলে অবায়, গুড়ে গম্বুজের ছেলে রফিকুল ইসলাম, পাচু মোড়লের ছেলে নুরু, কৃষ্ণপুর গ্রামের আব্দুল গফ্ফারের ছেলে মাহবুব পুটখালী গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে তরিকুল ইসলাম, কৃষ্ণপুর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে হারুন অর রশিদ, শীবনাথপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে মোমিনুর রহমান, মহিষাডাঙ্গার পাচু মোড়লের ছেলে আলা, মোশারফ মোড়লের ছেলে রয়েল, জহির মল্লিকের ছেলে মনিরুল, কৃষ্ণপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মশিয়ার, বারোপোতা গ্রামের আহম্মদ আলী ওরফে কেলে আহম্মেদের দুই ছেলে আল আমিন ও রুহুল আমিন, দৌলতপুর গ্রামের শেখ আব্দুল্লার ছেলেমেহেদী হাসান সীমান্ত এবং বারপোতা গ্রামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে ইউসুফ মোড়ল।
নিজস্ব প্রতিবেদক : অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে স্...বিস্তারিত
শফকত সাদিয়া আহমেদ : মালয়েশিয়ায় বন্ধ থাকা শ্রমবাজারকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনর...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের ফলে তৈরি পোশাকের রপ্তানি আয় এবং নতুন কাজের আদেশ কমে যাওয়ায় এর নেতিবাচ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা : : বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধী শনাক্তকরণ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা লেনদেন ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্য গোপনের অভিযোগে এক আইনজীবীকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করাকে কেন্দ্র করে শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited